যে কোন প্রান্ত থেকে আপনার লেখা পাঠাতে অথবা প্রশ্ন করতে এখানে ক্লিক করুন

সর্বশেষঃ

পকেটে টিকিট থাকায় আকবরের খুনির সন্ধান: খুনি গ্রেপ্তার


ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় গত ২৩ নভেম্বর উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের লাশের পরিচয় পেয়েছে পুলিশ।

একই সঙ্গে ওই হত্যাকাণ্ডে রহস্যও উদঘাটিত হয়েছে। পাওনা টাকা আদায় নিয়েই বন্ধুর পরিকল্পনায় খুন হন আকবর হোসেন নামে ওই যুবক।

নিহত আকবর ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে ইকবাল (২৫) ও সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি উপজেলার খাসকাউলিয়া গ্রামের মো. সোলায়মানের ছেলে মাহমুদ (২৭)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে।

মাত্র ৩০ হাজার টাকার কারণে গত ২১ নভেম্বর আকবরকে গলাকেটে হত্যার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতে লাশ ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ২৩ নভেম্বর লাশটি উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানান, নিহতের প্যান্টের পকেটে পাওয়া একটি ট্রেন টিকেট নিয়েই তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।

পরে কল লিস্টের সূত্র ধরে ঘটনার মূল হোতা মাহমুদকে রোববার রাতে জেলার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি নিহত আকবরের বন্ধু।

তার দেয়া তথ্য মতে এ হতাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তার আরেক বন্ধু ইকবালকে সদর উপজেলার ছাতিয়ান গ্রাম থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছোঁড়া উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মাহমুদ ও আকবর তার দুইজনই চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় পড়তেন। আকবরের কাছ থেকে মাহমুদ ৩০ হাজার টাকা পেতেন।

সেই পাওনা টাকা নিয়ে দুইজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে কৌশলে আকবরকে চট্টগ্রাম থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসেন মাহমুদ। পরে মাহমুদ তার বন্ধু ইকবালের সহযোগীতায় আকবরকে একটি ধানক্ষেতে নিয়ে প্রথমে মাথায় আঘাত করে এবং পরে ধারালো ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে।

 

সূত্র: যুগান্তর