রোহিঙ্গা নির্মূল আশংকা ও নৈপথ্য – বিস্তারিত পড়ুন

(এক)
দিন দিন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, রোহিঙ্গা নির্মূলে ইঙ্গ-মার্কিন
ও ভারতের পরোক্ষ সমর্থন রয়েছে, এক সময় এটা ধারণা স্বরুপ
থাকলেও এখন আর ধারণা নয়,বরং বিভিন্ন আলামত দেখেই নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ মহল।

(দুই)
বাংলাদেশের দেশ প্রেমিক বিজ্ঞ উলামারা দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন সভা
সেমিনারে আশংকা প্রকাশ করে আসছিলেন যে , বাংলাদেশের পার্বত্য
অঞ্চলে খৃষ্টান মিশনারিদের অশুভ তৎপরতা এবং বিভিন্ন উপজাতি
গুষ্টিগুলোর নিজ ধর্মিয় স্বকিয়তা ভুলে ব্যাপক হারে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করা ভবিষ্যতে খৃষ্টান সংখ্যাঘরিষ্টের অজুহাতে পার্বত্য অঞ্চলের সাথে আরাকান সংযোক্ত করে একটা খৃষ্টান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হতে পারে, সে আশংকারই মনে হয় প্রতিফলন ঘটতে শুরু করেছে।

(তিন)
১৯৮৪ সাল থেকে থেমে থেমে বার বার রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযান চালিয়ে
যাচ্ছে বার্মা সরকার, এতে ব্যাপক জান মালের ক্ষয়ক্ষতিসহ অসংখ রোহিঙ্গা
আশ্রয় নিয়েছে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশে, অনেকেই সাগর পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে প্রান হারিয়েছে। নাফ নদি তো এখন জ্বলন্ত সাক্ষি।
নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে আসতে গিয়ে নৌকা ডুবে মারা গেছে অসংখ
রোহিঙ্গা নারী পরুষ ও শিশু।
সাম্প্রতিক কালে ১১ আগষ্ট থেকে শুরু করা অভিযান এই পর্যন্ত কত নিহত বা আহত হয়েছে তার সঠিক হিসাব না থাকলেও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের
খবর অনুযায়ী অন্তত ২ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে সক্ষম হয়েছে।
আগুন লাগিয়ে চাই বানিয়েছে অন্তত ৭৫ টি রোহিঙ্গা গ্রাম।
নিহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু।ধর্ষিত হয়েছে দুই শত নারী।

(চার)
এসব কিছুর নৈপথ্য কি ? কাদের ইঙ্গিতে এ বর্বর হামলা? কেন থেমে থেমে রোহিঙ্গা নির্মূল?
প্রশ্নগুলো আমাদের সামনে এখনো অস্পষ্ট।
তবে বিজ্ঞ মহল যেই ধারনাগুলো প্রকাশ করেছেন তা একেবারে অযুক্তিক
নয়।

বিজ্ঞ মহলের ধারণা 

(১) পার্বত্য অঞ্চলে সকল জনগুষ্টি প্রায় এখন
ধর্মান্তরিত হয়ে খৃষ্টানে পরিণত হয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ট এখন বলতে গেলে
খৃষ্টানেরই।আরাকানকে মুসলমান শুন্য করে আরাকানসহ পার্বত্য অঞ্চলকে
খৃষ্টানজুন করার জন্য স্বাধীনতার ডাক দেয়ার এখনই একটি উপযোক্ত
সময় এ কারণেই হতে পারে ইউরোপ এমেরিকার মৌন সমর্থনেই নাসাকা বাহিনির
মুসলমানদের উপর এই অকত্য নির্যাতন।

(২) বার্মায় নির্যাতন অব্যাহত থাকলে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো বিভিন্ন
যুব সমায একত্রিত হয়ে হয় বার্মা মুখি হবে, নাসাকা বাহিনির
মুখোমুখি হবে, আর সেটা করতে পারলেই এমেরিকা ইসরাইলের জন্য
আরো একটা সুযোগ হাতে এসে গেল।

মোট কথা এক ঢিলে অনেক শিকারের উদ্দেশ্য নিয়ে হতে পারে অহিংসু বাহিনির হিংসাত্বক আগ্রাসন।
আল্লাহ বাংলাদেশ ও তার জনগনকে হেফাজত করুন। আমিন।

Author Details

Hard work can bring a smile on your face.

Related Posts

Post thumbnail
8 months ago

রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের চিহ্ন মুছতে গুম করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের লাশ দেখুন ভিডিওতে

রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের চিহ্ন মুছতে গুম করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের লাশ, ভিডিও টি শেয়ার করতে ভুলবে না.. আমাদের চ্যানেলকে সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন...

Leave a Reply

Comment has been close by Administrator!